
বর্তমানে হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোকাবিলায় ইরান সামরিকভাবে প্রশিক্ষিত 'ঘাতক ডলফিন' নামাতে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।
মূলত মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ ও সামরিক চাপের মুখে ইরান এই 'অপ্রচলিত' যুদ্ধের পথ বেছে নিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, এই প্রশিক্ষিত ডলফিনগুলোর পিঠে বা গায়ে সামুদ্রিক মাইন (Naval Mines) বা বিস্ফোরক বেঁধে দেওয়া হয়। এগুলো শত্রুপক্ষের জাহাজের নিচে গিয়ে আত্মঘাতী বা 'কামাকাজি' হামলা চালাতে সক্ষম।
ইরান ২০০০ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে প্রশিক্ষিত ডলফিনের একটি দল এবং তাদের প্রশিক্ষককে সংগ্রহ করেছিল। সেই ডলফিনগুলো শত্রুর জাহাজ শনাক্ত করা এবং পিঠে হারপুন বা বিস্ফোরক নিয়ে হামলা চালাতে দক্ষ ছিল।
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ। ইরান এই পথে মার্কিন আধিপত্য কমাতে এবং প্রয়োজনে ইন্টারনেট বা টেলিফোন ক্যাবল কেটে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছে।
মার্কিন নৌবাহিনী আগে থেকেই ডলফিন এবং সমুদ্রতলে নজরদারি ড্রোনের মাধ্যমে মাইন শনাক্ত ও অপসারণের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, মাইন স্থাপনের চেষ্টা করলে ইরানি নৌযান ধ্বংস করা হবে।
এই ধরণের অপ্রচলিত রণকৌশল সফল হলে তা বিশ্ববাজারে তেলের দাম এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
#vibrantNews365 #foreignNews #worldnews #Foreign_Affairs #ইরান #ইসরাইল #যুক্তরাষ্ট্র #Iran #Israel #USA #Iran_Attack #'ঘাতক_ডলফিন #Killer_dolphin
0 মন্তব্যসমূহ