লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ব্যবহৃত ফাইবার-অপটিক ড্রোন বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনীর জন্য এক নতুন এবং গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাসের শুরুর দিকে প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ড্রোনগুলো ইসরায়েলের মাল্টি-বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে নিখুঁত হামলা চালাতে সক্ষম হচ্ছে।
অজেয় প্রযুক্তি: সাধারণ ড্রোনগুলো জিপিএস বা রেডিও সিগন্যালের মাধ্যমে চলে, যা ইলেকট্রনিক জ্যামিংয়ের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব। কিন্তু এই ড্রোনটি একটি অত্যন্ত সরু ফাইবার-অপটিক তারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়, ফলে কোনো প্রকার ইলেকট্রনিক সিগন্যাল ছাড়াই এটি কাজ করতে পারে।
রাডার ফাঁকি: এই ড্রোনগুলো আকারে খুব ছোট এবং কোনো রেডিও তরঙ্গ নির্গত না করায় এগুলোকে রাডারে শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব।
নিখুঁত নিশানা: ড্রোন অপারেটররা ভার্চুয়াল রিয়েলিটি গগলস বা স্ক্রিনের মাধ্যমে ফার্স্ট পারসন ভিউ (FPV) প্রযুক্তিতে ড্রোনটি পরিচালনা করেন, যা কয়েক ডজন কিলোমিটার দূর থেকেও লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সাহায্য করে।
স্বল্প খরচ: এই ড্রোনগুলো তৈরিতে মাত্র ৩০০ থেকে ৪০০ ডলার খরচ হয়, অথচ এটি ইসরায়েলের অত্যন্ত দামী আয়রন ডোম (Iron Dome) বা অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে দিচ্ছে।
সাম্প্রতিক প্রভাব: এপ্রিল ২০২৬-এর শেষে এবং মে মাসের শুরুতে পরিচালিত হামলায় দক্ষিণ লেবানন ও উত্তর ইসরায়েলে ড্রোনটির আঘাতে বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি সেনা হতাহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা এই প্রযুক্তিকে তাদের স্থল সেনাদের জন্য বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ডেইল ইনকিলাব এবং বাংলা ট্রিবিউন এর মতো সংবাদ মাধ্যমগুলো এই পরিস্থিতিকে "তেল আবিবে তোলপাড়" হিসেবে বর্ণনা করেছে।
#vibrantNews365 #foreignNews #worldnews #Foreign_Affairs #ইরান #ইসরাইল #যুক্তরাষ্ট্র #Iran #Israel #USA #ফাইবার অপটিক ড্রোন #Fiber optic drone #হিযবুল্লাহ #Hizbullah

0 মন্তব্যসমূহ