ব্যাংক লুটপাট ‘এস-আলম মডেল’
১. সরকারি ছত্রছায়ায় বিভিন্ন বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে ব্যাংকের মালিকানা হাইজ্যাক করা ।
২. নিজেদেরই বিভিন্ন ছদ্মবেশী কোম্পানির নামে ভুয়া ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে ব্যাংকের টাকা লুটপাট করা এবং তা বাইরে পাচার করা ।
৩. ক্ষমতা হারানোর পর দেশের বাইরে পলায়ন। কিন্তু পরবর্তী সরকাররের মধ্যে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে (মাসিক/এক কালীন চাঁদা ভোগী), আমলা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, বাংলাদেশ ব্যাংক সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিজেদের পাহারাদার বা ‘ওয়াচ ডগ’ সেটআপ করা।
৪. উচ্ছিষ্ট ভোগীরা ( রাজনৈতিক দলের নেতা, প্রশাসন, আমলা, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন কর্মকর্তারা) এইসব লুটপাটের কথা জেনেও চুপচাপ থাকবে।
৫. কিছু রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের কিছু লোক,আমলাদের একটা অংশ, বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তা যারা হয় খুব সৎ অথবা উচ্ছিষ্ট’র ভাগ পায়নি, এরকম একটি গ্রুপ কয়েকদিন খুব চিল্লাচিল্লি করবে কিন্তু ফলাফল শূন্য।
৬.পরবর্তী সরকারে ‘এস-আলমদের’ ঘনিষ্ঠরাই ক্ষমতার মূল ফোকাসে থাকবে। তারাই ‘এস আলমে’র মালিকানা তাকে কিভাবে ফিরিয়ে দেওয়া যায় সে ব্যাপারে পছন্দ ও সুবিধা মত আইন প্রণয়ন করবে। এরাই ঘোষণা দিবে, শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক হওয়ায় ব্যাংকের লস ব্যাংকের গ্রাহকদেরই বহন করতে হবে। ব্যাংকের ক্ষতি গ্রাহকদের মূল টাকা থেকে কর্তন (হেয়ারকাট) করে লুটপাটের করা টাকা এডজাস্ট করা হবে। একটা ‘মানি লন্ডারিং’ কে এইভাবে ধামা দেওয়ার প্রচেষ্টাকে আপনি ‘মানি-লন্ডারিং প্লাসও’ বলতে পারেন যেটা রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে করা হচ্ছে। অনেকের ধারণা ‘গ্রাহকদের উপর লস চাপিয়ে দেওয়ার এই নীতির’ জন্যেই শরিয়া ভিত্তিক ব্যাংকগুলোকে লুটপাটের জন্য বেছে নেয় এস-আলম গ্রুপ। অবশেষে তারা এইভাবে ব্যাংকের মালিকানা নামে -বেনামে আবার ফিরে পাবে, উচ্ছিষ্ট ভোগীদের সাথে নিয়ে আবার লুটপাট এর কাজ শুরু করবে।
৭. সবকিছু আবার ঠিকঠাক- স্বাভাবিক মনে হবে এবং ‘এস আলম’ আবার নতুনকরে সম্ভাব্য উৎকৃষ্টভোগীদের খোঁজ করবে যারা কিনা তাকে পরবর্তীতে পালাতে এবং আবার ফিরে আসতে সাহায্য করবে।
৮.আবার লুটপাট শুরু হবে,পাচার হবে, ক্ষমতাহীন হয়ে বাইরে পালাবে যেখানে ওই নতুন উচ্ছিষ্ট ভোগীরা তাকে পালাতে এবং পরবর্তীতে ফিরিয়ে আনতে তার পক্ষে ঢাল হয়ে দাঁড়াবে।
এই ড্রামা চলতেই থাকবে………………………………
বি:দ্র:
১। ছদ্দবেশী ‘একাত্তর চেতনাধারীরা’ এসব লুটপাটতন্ত্রকে সবসময় জিইয়ে রাখে।
২। ‘জুলাই চেতনা’ এইসব লুটপাটতন্ত্রকে সমূলে বিনাশ করতে পারতো। কিন্তু সমস্যা চেতনাতে না, সমস্যা চেতনা ধারকদেরকে নিয়ে। এদের মধ্যেও ভেজাল ঢুকে গিয়েছে।
আমরা সাধারণ জনগণ সারাজীবন উৎকৃষ্ট মানের ‘ভোদাই’ হয়েই বেঁচে থাকবো। আর রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে দেশ ও মানুষের সম্পদ কিভাবে লুটপাট হয় তা চেয়ে চেয়ে দেখবো।
এতক্ষণ সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ
#VibrantNews365 #BangladeshNews #CommerceEconomy #Economynews #Business_and_Economy #S_Alam #Bank_Looting #Money_Laundering #S-Alam_Group #Islamic_Bank

0 মন্তব্যসমূহ