স্থানীয় সূত্র জানায়, নামাজ শেষে মুসল্লিদের সাথে সালাম বিনিময় করছিলেন মুফতি আমির হামজা। এ সময় বিএনপি’র একজন নেতা তাকে বাঁধা দেন, এতে মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষোভের এক পর্যায়ে কিছু মানুষ বিএনপি নেতাকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি সামান্য আহত হন।
জানা যায়, মসজিদ কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল হান্নান আমির হামজাকে আলোচনায় কেবল ধর্মীয় বিষয়ে সীমাবদ্ধ থাকতে অনুরোধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হামজার কিছু অনুসারী তার ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আহত আব্দুল হান্নান বলেন, আমি শুধু বলেছিলাম মসজিদে রাজনীতি নয়, ইসলাম নিয়ে আলোচনা করুন। এরপরই তারা আমার ওপর হামলা করে।
সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইসমাইল হোসেন মুরাদকে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, জেলা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
অন্যদিকে মুফতি হামজা বলেন, আমি গণসংযোগে গিয়ে নামাজ পড়তে মসজিদে প্রবেশ করি। নামাজ শেষে ইমাম সাহেব আমাকে সালামের আহ্বান জানান, এরপর সামান্য কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়, যা পরে মিটে গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, নামাজের পর কথাকাটাকাটির জেরে হাতাহাতি হয়, তবে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্যসমূহ