সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় বিয়ে এবং তার সাথে দ্বিতীয় স্ত্রীর ৫৭ বছরের বয়সের পার্থক্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
এই ঘটনার পর খোদ এমপি, তার প্রথম স্ত্রী এবং দ্বিতীয় স্ত্রী আলাদা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন:
মূল ঘটনা ও ছড়িয়ে পড়া ভিডিও
সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক তরুণীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে জানা যায়, ওই তরুণীর নাম মরিয়ম খাতুন (মরিয়ম আক্তার) এবং এমপি তাকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করেছেন।
প্রথম স্ত্রীর বক্তব্য
এমপির প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম এক ভিডিও বার্তায় স্পষ্ট করেছেন যে, মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে তাঁর স্বামীর বিয়েটি সম্পূর্ণ পারিবারিকভাবে এবং উভয় পরিবারের সম্মতিতে হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই বিয়ে নিয়ে যারা কুৎসা রটাচ্ছেন ও অপপ্রচার চালাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন।
দ্বিতীয় স্ত্রী ও শ্বশুরের বক্তব্য
দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তার: এক ভিডিও বার্তায় দাবি করেন, ২০২৬ সালের ১৭ জুন শ্যামনগরে তাঁর বাবার বাসায় উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে ও সম্মতিতে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়। তাঁর স্বামীর সম্মানহানি করার উদ্দেশ্যেই ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিওটি পরিকল্পিতভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
শ্বশুর মাসুম বিল্লাহ: মরিয়মের বাবা জানান যে, বিয়ের সময় এমপির প্রথম স্ত্রীসহ উভয় পরিবারের সবাই উপস্থিত ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে তাদের সামাজিকভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে।
এমপির প্রতিক্রিয়া
সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম তাঁর ফেসবুক পোস্টে জানান, গত ১৩ জুলাই তিনি তাঁর প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার ব্যবসায়িক অফিসে গিয়েছিলেন। সেখানে কাটানো ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিওটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁস করে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্মানহানি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
তবে নেটিজেনদের একাংশ এই বিশাল বয়সের ব্যবধান এবং তরুণীর প্রকৃত বয়স নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রশ্ন তুলছেন।
Please Follow, React, Comment and Share
#vibrantNews365 #কার্টুন #Cartoon #সাতক্ষীরা_এমপি #Satkhira_MP

0 মন্তব্যসমূহ