সাবেক সিআইএ বিশ্লেষক ল্যারি জনসনের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক কোড সক্রিয় করতে চেয়েছিলেন কিন্তু সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বাধার মুখে তিনি পিছু হটেন। তবে এই দাবির কোনো আনুষ্ঠানিক সত্যতা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ রয়েছে, হোয়াইট হাউসের এক জরুরি বৈঠকে ট্রাম্প পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ইচ্ছা প্রকাশ করলে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন সরাসরি 'না' বলে তাকে থামিয়ে দেন। তিনি সামরিক বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিজের অবস্থান তুলে ধরে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন।
নিয়মানুযায়ী প্রেসিডেন্টের নির্দেশে পারমাণবিক হামলা হতে পারে, কিন্তু সামরিক কর্মকর্তাদের পরামর্শ অগ্রাহ্য করা সবসময় সম্ভব হয় না। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র তর্কের পর ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ স্থগিত হয়ে যায়।
কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, ট্রাম্পের 'উগ্র মেজাজ' ও অস্থিরতার কারণে সামরিক উপদেষ্টারা তাকে সিচুয়েশন রুম (Situation Room) থেকেও দূরে রেখেছিলেন যাতে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত না হয়।
Chalaman New York-এর তথ্যমতে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক নেতাদের অনুরোধে এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির আলোচনা এগিয়ে নিতে তিনি শেষ পর্যন্ত হামলা থেকে সরে আসেন।
বিভিন্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইরান এই ঘটনাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'সময় কেনার অপকৌশল' হিসেবে দেখছে। তবে হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগন আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক কোড ব্যবহারের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
উল্লেখ্য পারমাণবিক কোড সক্রিয় করা (Nuclear Code Activation) বলতে এমন একটি সুনির্দিষ্ট, অতি-গোপন প্রক্রিয়াকে বোঝায়, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের মতো পারমাণবিক শক্তিধর দেশের রাষ্ট্রপতি তাদের সামরিক বাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের চূড়ান্ত নির্দেশ বা অনুমোদন প্রদান করেন। এটি মূলত একটি প্রমাণীকরণ পদ্ধতি (Authentication Process), যা নিশ্চিত করে যে পারমাণবিক হামলার নির্দেশটি বৈধ এবং স্বয়ং রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে এসেছে।
#vibrantNews365 #foreignNews #worldnews #Foreign_Affairs #ইরান #ইসরাইল #যুক্তরাষ্ট্র #Iran #Israel #USA #Atomic_Code_activation #Trump #General_Dan_Cain

0 মন্তব্যসমূহ