মেজর লিগ সকারে প্রতি ম্যাচেই যেন নতুন করে নিজের প্রতিভার ঝলক দেখাচ্ছেন লিওনেল মেসি। ৩৮ বছর বয়সেও এমন আধিপত্য বজায় রেখেছেন তিনি, যা ইউরোপের নামিদামি ফরোয়ার্ডরাও মেসির প্রতিভার কাছে হার মানছে। ইন্টার মিয়ামিকে নিয়মিতই বড় মঞ্চে তুলে আনার পাশাপাশি ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানে এমন উচ্চতায় নিজেকে নিয়েছেন যে, ২০২৬ ব্যালন ডি’অরের আলোচনায় আবারও অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হয়ে উঠেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী এই মহাতারকা।
ইস্টার্ন কনফারেন্সের ফাইনাল নিশ্চিত করার ম্যাচে সিনসিনাটির বিপক্ষে মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর উঠে এসেছে কিছু চমৎকার পরিসংখ্যান এবং রেকর্ড। ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে সরাসরি ৭১টি গোলে অবদান রেখেছেন তিনি— ইউরোপ ও আমেরিকা মিলিয়ে যা কারও নেই।
গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে কিলিয়ান এমবাপ্পের অবদান রয়েছে ৬৪ গোলে, হ্যারি কেইন ৬২ গোলে, আর আর্লিং হলান্ড আছেন ৫৮গোলে। সৌদি প্রো লিগে ভালো মৌসুম কাটালেও এই তালিকায় নেই ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
সিনসিনাটির বিপক্ষে ম্যাচটি মেসির ক্যারিয়ারে অনন্য বিশাল মাইলফলক যুক্ত করেছে—
৮৯৬ গোল ও ৪০৪ অ্যাসিস্টসহ মেসি ছুঁয়ে ফেলেছেন ১৩০০ গোলে অবদান রাখার অসাধারণ কৃতিত্ব। এ বয়সে এসে এমন নিখুঁত ধারাবাহিকতা ধরে রাখা ফুটবলের ইতিহাসে আর কেউই দেখাতে পারেননি।
শেষ সাত ম্যাচে তার ফর্ম আরও অবাক করার মতো। সেপ্টেম্বরে সিয়াটলের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে শুরু করে গত সাত ম্যাচে তিনি অবদান রেখেছেন ২২ গোলে। শুধু টরন্টো ও শিকাগো তাকে গোলের ক্ষেত্রে থামাতে পেরেছে।
ব্যালন ডি’অরের যে চারটি মানদণ্ড- গোল ও অ্যাসিস্ট, দলীয় অবদান, শিরোপা ও ফেয়ার প্লে সবকটিরই সামনে আছেন মেসি।
ইন্টার মিয়ামিকে কনফারেন্স ফাইনালে তুলিয়ে মেসি দলীয় অবদান ও সম্ভাব্য শিরোপার পথ বেশ পরিষ্কার করে দিয়েছেন। সামনে আরও ১০ মাস বাকি— ফর্ম ধরে রাখতে পারলে নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
ইস্টার্ন কনফারেন্স ফাইনালে মিয়ামি মুখোমুখি হবে নিউ ইয়র্ক সিটি এফসির। ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নকে ১–০ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পেয়েছে তারা, যেখানে আর্জেন্টাইন ম্যাক্সি মোরালেসের একমাত্র গোলেই ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে।
দুই লেগের মোট ১৮০ মিনিটের লড়াইয়ে জিততে পারলেই ইন্টার মায়ামি উঠবে এমএলএস কাপের ফাইনালে— যা এখনো বেকহ্যামের ক্লাবের অর্জনের তালিকায় নেই।
মিয়ামি যত সামনের দিকে এগোবে, মেসির ব্যক্তিগত লক্ষ্য, অর্থাৎ নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের স্বপ্ন ততটাই বাস্তব হয়ে উঠবে। এখন সময়ই বলে দিবে যে আবারও সেরাদের সেরার এই পুরষ্কার মহা তারকা মেসির হাতেই যাবে কি না।
#football #মেজরলিগসকার #MajorLeagueSoccer #bangladeshfootball #Argentina #BallonD’Or #sports #worldfootball #InterMiami #Mbappe # Holland #totalgoals #Goals #Messi #MessiGoals #MessiAssists

0 মন্তব্যসমূহ