যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী ভিসায় থাকা বিদেশিদের গ্রিনকার্ডের আবেদন করতে হলে এখন নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে. মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা বিভাগ (USCIS) এক নতুন নীতিগত নির্দেশনায় এই কড়াকড়ি আরোপ করেছে. ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর, অভিবাসন ব্যবস্থার আইনি ফাঁকফোকর বন্ধ করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ।
নতুন এই অভিবাসন নীতিমালার মূল বিষয়গুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
১. ‘স্ট্যাটাস পরিবর্তনের’ সুযোগ বন্ধ
আগে যা হতো: এতদিন শিক্ষার্থী, পর্যটক বা অস্থায়ী কর্মভিসায় আসা ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্র না ছেড়েই স্থায়ী বসবাসের অনুমোদন বা 'অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস'-এর আবেদন করতে পারতেন.
বর্তমান নিয়ম: নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে থেকে স্ট্যাটাস পরিবর্তন কোনো স্বয়ংক্রিয় অধিকার নয়. সাময়িক ভিসাধারীদের গ্রিনকার্ডের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরতে হবে এবং সেখান থেকেই আবেদন জমা দিতে হবে।
২. ‘অসাধারণ প্রতিকার ব্যবস্থা’ (Extra-ordinary Form of Relief)
মার্কিন প্রশাসন এই নতুন নিয়মের নাম দিয়েছে ‘এক্সট্রা-অর্ডিনারি ফর্ম অব relief’ বা অসাধারণ প্রতিকার ব্যবস্থা.
কর্মকর্তাদের মতে, গ্রিনকার্ডের প্রক্রিয়া যেন অভিবাসনের স্বাভাবিক ও নির্ধারিত আইনি পথ মেনে চলে, তা নিশ্চিত করতেই এই নিয়ম
৩. কঠোরভাবে আবেদন যাচাই
সব ক্ষেত্রে একই নিয়ম ঢালাওভাবে কার্যকর না হলেও, প্রতিটি আবেদন এখন আলাদাভাবে এবং অত্যন্ত নিখুঁতভাবে যাচাই করা হবে. মূল্যায়নের সময় যে বিষয়গুলোকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে:
ভিসার শর্ত ভঙ্গ করা হয়েছে কি না
অনুমতি ছাড়া কোনো কাজ করা হয়েছে কি না
নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান (Overstay) করা হয়েছে কি না
নথিপত্রে কোনো ধরনের জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে কি না
৪. বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড়
মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে যে অত্যন্ত জরুরি বা বিশেষ কোনো পরিস্থিতি থাকলে আবেদনকারীর কেস বা অবস্থা বিবেচনা করে ব্যতিক্রমী ছাড় দেওয়া হতে পারে. তবে সাধারণ নিয়ম হিসেবে সবাইকে নিজ দেশের কনস্যুলেট বা দূতাবাসের মাধ্যমেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
এই কড়াকড়ির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বিপুল সংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং অস্থায়ী কর্মীরা বড় ধরনের জটিলতার মুখে পড়েছেন।
#vibrantNews365 #foreignNews #worldnews #Foreign_Affairs #যুক্তরাষ্ট্র #USA #Green_Card #US_Green_Card

0 মন্তব্যসমূহ