sponsored

এক ইরানের ধাক্কাতেই যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ বছরের সাজানো ডলার-সাম্রাজ্যের অবসান হতে যাচ্ছে?

 


ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ২০২৬ সালের এই সাম্প্রতিক যুদ্ধ এবং সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু সংবাদ মাধ্যমে "যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ বছরের অর্জন শেষ" হওয়ার দাবিটি মূলত ডলারের বৈশ্বিক আধিপত্য এবং কৌশলগত ভূ-রাজনীতিতে মার্কিন প্রভাবের সংকটকে ইঙ্গিত করছে।

পেট্রোডলার ব্যবস্থার সংকট: ১৯৭৪ সালে কিসিঞ্জারের করা ঐতিহাসিক চুক্তির ফলে সৌদি আরব ডলারে তেল বিক্রি করতে রাজি হয়েছিল, যা ডলারের আধিপত্যের প্রধান ভিত্তি ছিল। তবে বর্তমান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালী বন্ধের হুমকি এবং সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের টানাপোড়েনে এই "পেট্রোডলার" ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত হ্রাস: সিএসআইএস (CSIS)-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইরানের সাথে মাত্র কয়েক সপ্তাহের সংঘাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্র তাদের মোট নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্রের ৪৫% এবং থাড (THAAD) আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় অর্ধেক ব্যবহার করে ফেলেছে। এই ঘাটতি পূরণে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে, যা চীনের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের সামনে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতাকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।

কৌশলগত পরাজয়: যদিও যুক্তরাষ্ট্র সামরিক দিক থেকে ইরানের ব্যাপক ক্ষতি করেছে, তবুও ইরান শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঠেকানো এবং হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখায় তেহরান এটিকে তাদের বিজয় হিসেবে দেখছে। মার্কিন বিশ্লেষক অ্যারন ডেভিড মিলারের মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি "ঐতিহাসিক কৌশলগত পরাজয়" হতে পারে।

আর্থিক অস্ত্রের কার্যকারিতা লোপ: ২০২২ সালে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার পর ডলারকে "অস্ত্র" হিসেবে ব্যবহার করে রাশিয়ার প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার জব্দ করার ফলে বিশ্বের অনেক দেশ ডলারের বিকল্প খুঁজতে শুরু করেছে। বর্তমান সংঘাত সেই প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো প্রচার করছে। 

#vibrantNews365 #foreignNews #worldnews #Foreign_Affairs #ইরান #ইসরাইল #যুক্তরাষ্ট্র #Iran #Israel #USA #Dollar_empire #ডলার_সাম্রাজ্য #ডলার #Dollar #Dollar_Dominance


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ