sponsored

বিশ্বকাপে একাধিক খেলোয়াড় সমান সংখ্যক গোল করলেও গোল্ডেন বুট সাধারণতঃ একজনই পায়। তাহলে এটার জন্য আর অন্য কি কি বিষয় বিবেচনা করা হয়?




ফিফা বিশ্বকাপে একাধিক খেলোয়াড়ের গোল সংখ্যা সমান হলে গোল্ডেন বুট বিজয়ী নির্ধারণের জন্য মূলত অ্যাসিস্টের সংখ্যা এবং খেলার মোট সময় (মিনিট) বিবেচনা করা হয়। 

ফিফার অফিশিয়াল নিয়ম অনুযায়ী, টাইব্রেকার বা সমতা ভাঙার জন্য ক্রমানুসারে নিচের বিষয়গুলো দেখা হয়:

১. অ্যাসিস্টের সংখ্যা (Most Assists)

খেলোয়াড়দের গোল সংখ্যা সমান হলে, টুর্নামেন্টে কে সবচেয়ে বেশি গোলে সহায়তা (অ্যাসিস্ট) করেছেন তা দেখা হয়। যার অ্যাসিস্টের সংখ্যা বেশি হবে, তিনিই গোল্ডেন বুট পাবেন। 

  • উদাহরণ: ২০১০ বিশ্বকাপে টমাস মুলার, ডেভিড ভিয়া, ওয়েসলি স্নেইডার এবং ডিয়েগো ফরলান—সবাই ৫টি করে গোল করেছিলেন। কিন্তু ৩টি অ্যাসিস্ট থাকার কারণে টমাস মুলারকে গোল্ডেন বুট দেওয়া হয় (বাকিদের অ্যাসিস্ট ছিল ১টি করে)। 

২. কম সময় মাঠে থাকা (Fewest Minutes Played)

যদি গোল এবং অ্যাসিস্ট—উভয় সংখ্যাই সমান হয়, তবে দেখা হয় কোন খেলোয়াড় মাঠে কত কম সময় খেলেছেন। অর্থাৎ, যিনি কম মিনিট খেলে বা কম ম্যাচ খেলে সমান সংখ্যক গোল ও অ্যাসিস্ট করেছেন, তার কার্যকারিতা (Efficiency) বেশি বিবেচনায় তাকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। 

  • উদাহরণ: ইউরো ২০১২-তে এই নিয়মের চমৎকার প্রয়োগ দেখা গিয়েছিল। স্পেনের ফার্নান্দো তোরেস এবং জার্মানির মারিও গোমেজ উভয়েরই গোল ও অ্যাসিস্ট সমান ছিল, কিন্তু মাঠে তোরেস কম সময় খেলায় তাকে গোল্ডেন বুট দেওয়া হয়। 

৩. পুরস্কার ভাগাভাগি (Joint Winners)

যদি গোল, অ্যাসিস্ট এবং খেলার মোট সময়—সবকিছুই একদম হুবহু মিলে যায় (যা অত্যন্ত বিরল), তবেই কেবল পুরস্কারটি যৌথভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে। আধুনিক নিয়মে সাধারণত প্রথম দুটি টাইব্রেকারেই ফয়সালা হয়ে যায়।

একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: পেনাল্টি শুট-আউটের (টাইব্রেকার) গোলগুলো কিন্তু একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত গোল সংখ্যায় যোগ হয় না। শুধুমাত্র মূল ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত সময়ের (Extra Time) গোলগুলোই গোল্ডেন বুটের জন্য গণনা করা হয়। 

Please Follow, React, Comment and Share 


#VibrantNews365 #Sports #Football #Worldcup_Football #গোল্ডেন বুট #Golden_Boot #Criteria_To+Win_Golden_Boot


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ