ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বাহরাইন এবং কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই ২০২৬) ভোরে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে মার্কিন বিমান হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে তেহরান এই পদক্ষেপ নেয়।
হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তুসমূহঃ
বাহরাইন: যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সামুদ্রিক এলাকা, সালমান বন্দর এবং শেখ ইসা ঘাঁটি।
কুয়েত: আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটি।
মার্কিন ড্রোন: আইআরজিসি দাবি করেছে, অভিযানে বাধা দেওয়ার চেষ্টাকালে তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে।
হামলার পটভূমি ও কারণ
১. মার্কিন হামলা: হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর আব্বাস, সিরিক এবং কেশম দ্বীপসহ ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়।
২. চুক্তি লঙ্ঘন: ইরান দাবি করেছে, এই মার্কিন হামলা তাদের সাথে স্বাক্ষরিত 'ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক' এবং যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন।
৩. দাফন অনুষ্ঠান আড়াল করার চেষ্টা: আইআরজিসির অভিযোগ, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন কার্যক্রম চলাকালীন এই হামলা চালিয়ে মার্কিন প্রশাসন ঐতিহাসিক ঘটনাটিকে ম্লান বা আড়াল করতে চেয়েছিল।
বর্তমান পরিস্থিতি
হামলার পর বাহরাইন ও কুয়েতজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং দেশ দুটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিরোধ করার চেষ্টা করা হয়। তবে ইরানের দাবি অনুযায়ী এই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
মধ্যপ্রাচ্যের এই সামরিক উত্তেজনা সম্পর্কে আপনার কি নির্দিষ্ট কোনো ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতি বা আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আরও জানার প্রয়োজন রয়েছে?
Please Follow, React, Comment and Share
#vibrantNews365 #foreignNews #worldnews #Foreign_Affairs #Air_Attack_By_Iran #Iran #Kuwait #85_USA_Military_Points_Attacked #US_Bases_Attacked

0 মন্তব্যসমূহ