‘শহীদ নেতার রক্তের প্রতিশোধ অবশ্যম্ভাবী’—এই ঐতিহাসিক ও কঠোর বার্তাটি দিয়েছেন ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতাবা খামেনি।
২০২৬ সালের ১১ জুলাই (শনিবার), তার পিতা তথা ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এক লিখিত বিবৃতিতে তিনি এই ঘোষণা দেন।
এই বিবৃতির মূল প্রেক্ষাপট ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
প্রেক্ষাপট: ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। দীর্ঘ চার মাস পর, জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন পবিত্র নগরী ঘুরে ৯ জুলাই তার দাফন সম্পন্ন হয়। দাফন শেষে মুজতাবা খামেনি এই প্রথম কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিলেন।
বক্তব্যের মূল সুর: মুজতাবা খামেনি স্পষ্টভাবে জানান, পিতা ও সাবেক সর্বোচ্চ নেতার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নয়, বরং এটি সমগ্র ইরানি জাতির দাবি।
হুঁশিয়ারি: তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, "শহীদ নেতাসহ সাম্প্রতিক দুই যুদ্ধে নিহত সকল শহীদের রক্তের প্রতিশোধ আমরা নেবই। অপরাধীদের তালিকা ইরান প্রশাসনের কাছে রয়েছে এবং এই প্রতিশোধ নেওয়া 'অবশ্যম্ভাবী'। এই অপরাধীদের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সবার নাম আমাদের জানা আছে এবং তা নথিবদ্ধ। বৃদ্ধ বয়সে বিছানায় শুয়ে শান্তিতে মরার যে আকাক্সক্ষা তাদের রয়েছে, তা তারা কবরে নিয়ে যাবে। তাদের জানা উচিত, এই বিষয়টি আমার বা অন্য কোনো কর্মকর্তার অস্তিত্বের ওপর নির্ভর করে না।”
কূটনৈতিক অবস্থান: এই কঠোর বার্তার পাশাপাশি ইরান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই হামলার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ ও ক্ষতিপূরণ দাবিতে আইনি ও কূটনৈতিক তৎপরতাও জোরদার করছে।
Please Follow, React, Comment and Share
#vibrantNews365 #foreignNews #worldnews #Foreign_Affairs #আয়াতুল্লাহ_মুজতাবা_খামেনি #Ayatollah_Mojtaba_Khamenei

0 মন্তব্যসমূহ