sponsored

একেই বলে মানবতা দিল্লী অগ্নিকান্ডে অনন্য ভূমিকা রাখলেন ম্যাট্রেস দোকানি রিয়াজউদ্দিন মানসুরি এবং তাঁর ছেলে আরমান মানসুরি


 

দিল্লির মালব্য নগরের হৌজ রানি এলাকার ‘ফ্লারিশ স্টে’ হোটেলে লাগা ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিজেদের ব্যবসার চরম ক্ষতি স্বীকার করে অন্তত ৮ জন মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন গদির দোকানদার রিয়াজউদ্দিন মানসুরি এবং তাঁর ছেলে আরমান মানসুরি। বুধবার সকালে হোটেলের নিচতলার রেস্তোরাঁ থেকে এই আগুন ছড়িয়ে পড়লে জরুরি নির্গমন পথ না থাকায় আবাসিকরা জীবন বাঁচাতে জানালা দিয়ে লাফ দিতে শুরু করেন। সেই সংকটময় মুহূর্তে বাবা ও ছেলে মিলে তাঁদের চার দশকের পুরোনো দোকান থেকে নতুন ম্যাট্রেস বা গদি বের করে রাস্তায় বিছিয়ে দেন। 

তাঁদের এই অনন্য মানবিকতার মূল দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

  • তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত: আগুন লাগার তীব্রতা দেখে যখন মানুষ বহুতল ভবন থেকে নিচে লাফ দিচ্ছিলেন, তখন আরমান ও রিয়াজউদ্দিন কোনো ভাবনা ছাড়াই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন।

  • ম্যাটেরিয়াল কুশন তৈরি: তাঁরা দোকান থেকে প্রায় ২০ থেকে ২২টি নতুন ম্যাট্রেস, কম্বল ও তোশক টেনে এনে ভবনের নিচে পাথুরে রাস্তায় বিছিয়ে দেন, যাতে উপর থেকে লাফিয়ে পড়া মানুষেরা বড় কোনো আঘাত না পান।

  • আর্থিক ক্ষতি উপেক্ষা: এই উদ্ধারকাজে তাঁদের প্রায় ১.৫ থেকে ২ লক্ষ টাকার মালামাল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে দোকান ফাঁকা হয়ে যায়। কিন্তু ব্যবসার লোকসানের চেয়ে মানুষের জীবনের মূল্যকে তাঁরা বড় করে দেখেছেন।

  • আহত হয়েও উদ্ধারকাজ: ম্যাট্রেস বিছানোর পাশাপাশি উপর থেকে পড়া মানুষদের রক্ষা করতে এবং তাঁদের হাসপাতালে পাঠাতে গিয়ে বাবা ও ছেলে দুজনেই কিছুটা আহত হন। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের এই বীরত্বপূর্ণ কাজের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে প্রশংসার ঝড় উঠেছে। নেটিজেনরা তাঁদের "আসল হিরো" বা দেবদূত আখ্যা দিয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনার পর রিয়াজউদ্দিন মানসুরি মন্তব্য করেন, "সেই মুহূর্তে বিপদে পড়া মানুষগুলো হিন্দু না মুসলিম তা ভাবার সময় ছিল না, আমরা সবাই যে ভারতীয় সেটাই ছিল বড় পরিচয়।

Please Follow, React, Comment and Share


#vibrantNews365 #foreignNews #worldnews #Foreign_Affairs #দিল্লির_হোটেলে_আগুন #Fire_on_Delhi_Hotel #রিয়াজউদ্দিন_মানসুরি #আরমান_মানসুরি #Riazuddin_Ansari


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ