ইরানের বন্দর আব্বাসের কাছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানঘাঁটিতে পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। তিন মাস ধরে চলমান নাজুক যুদ্ধবিরতি এবং কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে নতুন করে এই তীব্র সামরিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
আলজাজিরা ও আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের তথ্যের ভিত্তিতে এই সংঘাতের মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
ইরানের পাল্টা আঘাত: আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বন্দর আব্বাসের উপকণ্ঠে মার্কিন আগ্রাসনের জবাবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ এলে তার জবাব "আরও কঠোর" হবে বলেও তারা সতর্ক করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি: মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন বাহিনী ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছিল—এমন একটি ইরানি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে তারা এই "প্রতিরক্ষামূলক" হামলা চালায়। একই সময়ে বেশ কয়েকটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবিও করেছে ওয়াশিংটন।
আঞ্চলিক প্রভাব ও কুয়েতে সাইরেন: এই পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে প্রতিবেশী কুয়েতে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়েছে। কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলায় সক্রিয় রয়েছে।
রাজনীতি ও কূটনীতি: হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে তিনি এখনো সন্তুষ্ট নন এবং দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কোনো আলোচনা চলছে না। একই সাথে হরমুজ প্রণালী কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এদিকে মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমানকে নিয়েও ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
#vibrantNews365 #foreign_News #world_news #Foreign_Affairs #ইরান #ইসরাইল #যুক্তরাষ্ট্র #Iran #Israel #USA #Port_Abbas #Retaliation_Of_Iran # ইরানের_প্রতিশোধ

0 মন্তব্যসমূহ