sponsored

বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের কথা ভাবছে পাকিস্তান

 


পাকিস্তান নৌবাহিনী তাদের নতুন এবং আধুনিক 'হাঙ্গর-ক্লাস' (Hangor-class) সাবমেরিন বঙ্গোপসাগরে মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে, যা ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর এই অঞ্চলে তাদের প্রথম বড় ধরনের নৌ উপস্থিতি হতে যাচ্ছে। পাকিস্তান নৌবাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কমোডর ওমর ফারুক সম্প্রতি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এই মোতায়েন পরিকল্পনার মূল তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:

১. নতুন সাবমেরিন এবং সক্ষমতা

  • পিএনএস হাঙ্গর (PNS Hangor): চীন থেকে নির্মিত এই অত্যাধুনিক ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনটি সম্প্রতি পাকিস্তান নৌবহরে যুক্ত হয়ে করাচি পৌঁছেছে।

  • বহরের আকার: পাকিস্তান চীন থেকে এই শ্রেণির মোট আটটি সাবমেরিন সংগ্রহ করছে, যা তাদের নৌ আধুনিকায়নের বড় অংশ।

  • এআইপি প্রযুক্তি: সাবমেরিনগুলো 'এয়ার-ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রপালশন' (AIP) প্রযুক্তিসম্পন্ন, যার ফলে এগুলো দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহ পানির নিচে লুকিয়ে থাকতে পারে এবং সহজে চিহ্নিত করা যায় না।

২. ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব

  • ১৯৭১ সালের পর প্রথম: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানের নৌ কার্যক্রম একেবারেই সীমিত ছিল। প্রায় সাড়ে পাঁচ দশক পর তারা আবার এই অঞ্চলে নিয়মিত উপস্থিতি বাড়াতে চাচ্ছে।


  • ভারতের উদ্বেগ: বঙ্গোপসাগর ঐতিহ্যগতভাবে ভারতের ইস্টার্ন নেভাল কমান্ডের আওতাধীন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অঞ্চল। সেখানে পাকিস্তানের এই সাবমেরিন মোতায়েনের খবর ভারতের সামরিক মহলে বিশেষ উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

  • ঐতিহাসিক প্রতীক: ১৯৭১ সালের যুদ্ধে পাকিস্তানি সাবমেরিন 'পিএনএস হাঙ্গর'-এর টর্পেডোর আঘাতে ভারতের যুদ্ধজাহাজ 'আইএনএস খুকরি' ডুবে গিয়েছিল. নতুন সাবমেরিনটির নামও একই রাখায় বিষয়টি আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে।

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে পাকিস্তান ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে তাদের নৌ সীমানার বাইরে দূরবর্তী নজরদারি ও কৌশলগত প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে বলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

Please Follow, React, Comment and Share 

#vibrantNews365 #foreignNews #worldnews #Foreign_Affairs #Pakistan #SubMarine #Pakistan’s_Submarine 


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ