আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর দ্বিতীয় পুত্র মোজতবা খামেনি ইরানের তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান 'অপারেশন এপিক ফিউরি'-তে আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর এই পরিবর্তন ঘটে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
ইরানের ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ (এসেম্বলি অফ এক্সপার্টস) সর্বসম্মতিক্রমে ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনিকে এই পদে নির্বাচিত করে ।
এই নির্বাচনে ইরানের শক্তিশালী আধাসামরিক বাহিনী 'ইসলামিক রিভল্যুশনারি গার্ড কোর' (IRGC)-এর বড় প্রভাব ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান বংশগত শাসন ব্যবস্থার বিরোধী থাকলেও, মোজতবার নিয়োগের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো দেশটিতে একই পরিবারের মধ্যে ক্ষমতার হস্তান্তর ঘটল।
মোজতবা খামেনি একজন কট্টরপন্থী রক্ষণশীল ধর্মগুরু হিসেবে পরিচিত এবং দীর্ঘদিন ধরে পর্দার আড়ালে থেকে রাষ্ট্রীয় ও সামরিক নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নিয়োগের পর মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন ছাড়া কোনো সর্বোচ্চ নেতা ইরানে টিকতে পারবেন না
#vibrantNews365 #foreignNews #worldnews #Foreign_Affairs #ইরান #ইসরাইল #যুক্তরাষ্ট্র #Iran #Israel #USA #Iran_Attack #Israel_Attack #Supreme_Leader #সর্বোচ্চ_ধর্মীয়_নেতা

0 মন্তব্যসমূহ