sponsored

গণভোট নিয়ে আলোচনায় জামায়াতের আহ্বানে সাড়া দেবে না বিএনপি

গণভোট নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আলোচনার বসার প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। আবার অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে দলগুলোকে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় আসার প্রস্তাবকে এক ধরনের তামাশা বলে মনে করছে দলটি। তাদের ভাষ্য, অন্তর্বর্তী সরকার আলোচনার জন্য দলগুলোকে ডাকতে পারে। ডাকলে তাতে সাড়া দিয়ে বিএনপি তাদের অবস্থান শক্তভাবে তুলে ধরবে। গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে। এতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন ।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ফোন করে আনুষ্ঠানিক আলোচনার আহ্বান জানিয়েছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। বিএনপি মহাসচিব তখন দলের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের সঙ্গে আলোচনা করে জানানোর কথা বলেন। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। নেতারা অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, জামায়াত তো সরকার না। ফলে রাষ্ট্রীয় কোনো বিষয় নিয়ে তারা বিএনপিকে ডাকতে পারে না। ব্যক্তিগত কোনো দাওয়াতে কিংবা দুই দলের মধ্যকার কোনো বিষয় হলে সেক্ষেত্রে ডাকতে পারে। সুতরাং জামায়াতের আহ্বানকে সংকট নিরসনের সঠিক পন্থা বলে মনে করে না বিএনপি। তাই জামায়াতের আহ্বানে সাড়া না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বৈঠকে। বৈঠকে আরও বলা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে বলা হয়েছে, নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমঝোতায় পৌঁছাতে এক সপ্তাহ সময় দিলাম। সরকার কি এমনটা বলতে পারে? এটি কতটা যৌক্তিক, তা জনগণ বোঝে।

ওদিকে বৈঠকে নেতারা বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে একই দিনে গণভোট এবং জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে আগামী দিনগুলোতে পথ চলবে বিএনপি। সরকারের সঙ্গে যেন কোনো ধরনের দূরত্ব সৃষ্টি না হয় সেভাবে কাজ করবে দলটি। এর অংশ হিসেবে শালীনতা বজায় রেখে সরকার সম্পর্কে বক্তব্য দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্টদের এই নির্দেশনা জানিয়েও দেয়া হয়েছে। 


#bnp #jamatislami

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ