![]() |
| এরশাদ উল্লাহ সারোয়ার হোসেন বাবলা |
চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ’র গণসংযোগে এলোপাতাড়ি গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই শীর্ষ সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বাবলা নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় এমপি প্রার্থীসহ আরও ৩জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত। বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টায় নগরীর বায়েজিদ থানাধীন চাইল্লাতলী এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে সময় এই ঘটনা ঘটে। কারাগারে থাকা আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদের অনুসারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত সরোয়ার বাবলা বায়েজিদ থানার অক্সিজেন এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ ২০টি মামলা আছে। গত ৫ই আগস্টের পর থেকে বাবলা নিজেকে যুবদল কর্মী বলে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাকে দেখা যায়। বুধবারের এ ঘটনার সময় তিনি বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ’র সঙ্গে প্রচারণায় ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, মনোনয়ন পেয়ে বায়েজিদের চাইল্যায়তলী এলাকায় গণসংযোগ করছিলেন এরশাদ উল্লাহ। এসময় একদল দুর্বৃত্ত এসে অতর্কিত গুলি করতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলেই সরোয়ার বাবলা মারা যান। একই ঘটনায় এরশাদ উল্লাহসহ ৩ জন গুলিবিদ্ধ হন। তাদেরকে উদ্ধার করে স্থানীয় এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, মূলত সারওয়ার বাবলাকে টার্গেট করেই হামলা হয়েছে। এসময় পাশে থাকা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহসহ ৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। এরমধ্যে সারওয়ার বাবলাকে হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার মৃত বলে ঘোষণা করেন।
চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক সাগির হোসেন মানবজমিনকে বলেন, এরশাদ উল্লাহ ভাই চালিয়াতলী এলাকায় বিকালে গণসংযোগ করতে গিয়েছিলেন। এরমধ্যে তিনি আছরের নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হতেই একদল দুর্বৃত্ত এসে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই একজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় এরশাদ ভাইসহ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে তারা আশঙ্কামুক্ত।
নিহত বাবলা যুবদলের রাজনীতি করতেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, মিডিয়ায় বলা হচ্ছে, বাবলা বায়েজিদ থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। বিষয়টি সত্য নয়। বায়েজিদ থানায় বাবলা নামের কোন নেতা নেই।

0 মন্তব্যসমূহ